জানেন জনসেবায় কি করেছিলেন মাদার তেরেসা !!! পড়ুন বিস্তারে ......
জানেন জনসেবায় কি করেছিলেন মাদার তেরেসা !!!  পড়ুন বিস্তারে ......

আগরতলা, ২৬ আগস্ট : মেরি টেরিজা বোজাঝিউ যিনি মাদার তেরেসা নামে  পরিচিত। তিনি  ছিলেন একজন আলবেনীয়-বংশোদ্ভুত।  ১৯১০সালের ২৬ আগস্ট জন্মগ্রহণ করেছিলেন। শুক্রবার সমগ্র বিশ্বের সাথে রাজ্যেও যথাযোগ্য মর্যাদায় পাল করা হয় মাদার তেরেসার ১১২ তম জন্মদিবস। এদিন নির্মল হৃদয় সংস্থার উদ্যোগে এ উপলক্ষে এক অনুষ্ঠান ও প্রার্থনাসভার আয়োজন করা হয়।

 ভারতীয় ক্যাথলিক সন্ন্যাসিনী এবং ধর্মপ্রচারক মাদার তেরেসা । তেরেসার জন্মস্থান অটোমান সাম্রাজ্যের আলবেনিয়া রাজ্যের স্কপিয়ে। আঠারো বছর বয়স পর্যন্ত তিনি সেখানেই কাটান। ১৯২৮ সালে তিনি আয়ারল্যান্ড হয়ে তৎকালীন ব্রিটিশ উপনিবেশ ভারতে খ্রিস্টধর্ম প্রচার অভিযানে আসেন। জীবনের বাকি অংশ তিনি ভারতেই কাটিয়েছিলেন । ১৯৫০ সালে কলকাতায় তিনি দ্য মিশনারিজ অফ চ্যারিটি  নামে একটি খ্রিস্ট ধর্মপ্রচারণা সংঘ প্রতিষ্ঠা করেন। ২০১২ সালে এই সংঘের সাথে যুক্ত ছিলেন ৪৫০০ সন্ন্যাসিনী। প্রথমে ভারতে ও পরে সমগ্র বিশ্বে তার এই ধর্মপ্রচারণা কার্যক্রম ছড়িয়ে পড়ে।

২০১৬ সালে পোপ ফ্রান্সিস তাকে 'সন্ত' হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করেন এবং ক্যাথলিক গির্জায় তিনি 'কলকাতার সন্ত টেরিজা' হিসেবে আখ্যায়িত হন। ১৯৬৯ সালে বিবিসিতে সামথিং বিউটিফুল ফর গড শিরোনামে ম্যালকম মাগারিজের প্রামাণ্য তথ্যচিত্র প্রচারিত হলে তার দাতব্য ধর্মপ্রচারণাসংঘের কার্যক্রম পশ্চিমা গণমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয় এবং টেরিজার খ্যাতি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পরে। তিনি ১৯৭৯ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার ও ১৯৮০ সালে ভারতের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান ভারতরত্ন লাভ করেন। টেরিজার মৃত্যুর সময় বিশ্বের ১২৩টি রাষ্ট্রে মৃত্যুপথ যাত্রী এইডস, কুষ্ঠ ও যক্ষ্মা রোগীদের জন্য চিকিৎসাকেন্দ্র, ভোজনশালা, শিশু ও পরিবার পরামর্শ কেন্দ্র, অনাথ আশ্রম ও বিদ্যালয়সহ দ্য মিশনারিজ অফ চ্যারিটির ৬১০টি কেন্দ্র বিদ্যমান ছিল।

আরো পড়ুন