নেশা বানিজ্যের করিডর হিসাবে ব্যবহৃত উত্তর জেলা ! পুলিশি ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ
 নেশা বানিজ্যের করিডর হিসাবে ব্যবহৃত উত্তর জেলা ! পুলিশি ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ

আগরতলা , ১৩ অক্টোবর : রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব নেশামুক্ত ত্রিপুরা গড়ার স্বপ্ন দেখলেও কিছু সমাজদ্রোহী ও নেশা কারবারিরা তাদের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে জোর কদমে। নেশা বানিজ্যের করিডর হিসাবে ব্যবহার হচ্ছে উত্তর জেলা। আর এখানকার  ছিচকে কিছু নেশা কারবারি এবারে  নিজেকে নেশা বানিজ্যের বাদশাহ ভাবার ভুল করছে। কিছু অসাধু পুলিশ কর্মীদের মাসোহারা দিয়ে নাকি রমরমা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

 উত্তর ত্রিপুরা জেলার পুলিশ সুপার ভানুপদ চক্রবর্তী নেশা বিরোধী অভিযানে একের পর এক সাফল্য পেলেও কোনো এক অজ্ঞাত কারণে পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে ধর্মনগরের অলিগলিতে চলছেই  অবৈধ ব্যবসার রমরমা। এরমধ্যে সম্প্রতি নেশা কারবারিদের মাস্টারমাইন্ড হিসাবে বেরিয়ে আসে ধর্মনগর রাজবাড়ী এলাকার সঞ্জীব কালোয়ার ও তার বাবার নাম। জানা যায় , এই দুই বাপ বেটার যন্ত্রনায় অতিষ্ট স্থানীয়রা। আশ্চর্যের বিষয় হল তাদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক সংবাদ প্রকাশ করা হলেও  পুলিশ তাদের বাগে আন্তে অক্ষম। অভিযোগ মোটা অংকের মাসোহারা গুনে মুখ্যমন্ত্রীর নেশামুক্ত ত্রিপুরা গড়ার স্বপ্নকে ধূলিসাৎ করে তুলছে একাংশ পুলিশ কৰ্মীরা। আর শুধু যে এই বাপ বেটাই নেশা বাণিজ্য রমরমা চালিয়ে যাচ্ছে ধর্মনগরে এমন কিন্তু নয়। 
              আলগাপুরস্থিত বাপ্পা দাস ও পানিসাগর এর কিশোর নাথও রমরমা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। ইয়াবা ট্যাবলেট ব্রাউন সুগার মদ-গাঁজা কোন কিছু থেকেই বিরত নেই এই নেশার জগতে বেতাজ বাদশা বাপ্পা দাস ও মূল মাস্টারমাইন্ড কিশোর নাথ। জানা গেছে উত্তর জেলার পুলিশ সুপার বাপ্পা দাস ও কিশোর কে একাধিকবার পাকড়াও করেছে ওদের বিরুদ্ধে এনডিপিস অ্যাক্ট এ মামলা ও চলছে। কিন্তু পুলিশ প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বাপ্পা ও কিশোর ইয়াবা এবং ব্রাউন সুগার এর ব্যবসা জোরকদমে চালিয়ে যাচ্ছে।

               যার ফলে যুব সমাজ ধ্বংসের পথে যাচ্ছে। সংবাদ সূত্রে খবর ধর্মনগরের ড্রাগস মাফিয়া বাপ্পা দাস ও তার সহযোগী কিশোর নাথ বর্তমানে ধর্মনগরের কতিপয় মনির উদ্দিন তাদের নতুন আড্ডা ধর্মনগরের কলেজ রোড দুর্গাপুর এবং ইন্দো-বাংলা সীমান্ত এলাকা ভাগ্যপুর এ বসিয়েছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে পুলিশ প্রশাসন কেন তাদের পাকড়াও করতে ব্যর্থ হচ্ছে? এর পেছনে অন্য কোন রহস্য লুকিয়ে নেই তো? এটাই এখন জনমনে প্রশ্ন।

আরো পড়ুন