বড়োসড়ো বিদ্যুৎ দুর্ঘটনার হাত থেকে অল্পেতে রক্ষা পেল দক্ষিণ পুলিনপুর
বড়োসড়ো বিদ্যুৎ দুর্ঘটনার হাত থেকে অল্পেতে রক্ষা পেল দক্ষিণ পুলিনপুর

তেলিয়ামুড়া , ২৯ অক্টোবর : বড়োসড়ো বিদ্যুৎ দুর্ঘটনার হাত থেকে  অল্পেতে রক্ষা পেল এলাকাবাসী।ঘটনার বিবরণে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে  তেলিয়ামুড়া থানাধীন  দক্ষিণ পুলিনপুর এলাকায় বিদ্যুৎ পরিবাহী মূল তার তথা এসটি লাইনে অগ্নিসংযোগ হয়ে আসাম আগরতলা জাতীয় সড়কের উপর  এই মূল তার ছিঁড়ে পড়ে। এতে এলাকার বহু  মানুষের বাড়িঘরে ব্যবহৃত বিদ্যুৎ চালিত যন্ত্রপাতি যেমন- টিভি,পাখা, ফ্রিজ সহ ইত্যাদি যন্ত্রের ব্যাপক পরিমাণে ক্ষয়ক্ষতি হয়।
         জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল ৬:০০ থেকে ৬:৩০ মিঃ নাগাদ বিদ্যুৎ পরিবাহী খুঁটিতে আগুন ধরে যায় এবং বিদ্যুৎ পরিবাহী মূল তার ছিড়ে আসাম আগরতলা জাতীয় সড়কের ওপর পড়ে। বিষয়টি নজরে আসে প্রাতঃভ্রমণে বেরোনো লোকজনদের, এতে বড়োসড়ো ধরনের  দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পায় ওই এলাকার এলাকাবাসীরা।
          যদিও এলাকাবাসীদের তরফ থেকে তেলিয়ামুড়া বিদ্যুৎ দপ্তরে ফোন যুগে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো সাড়া মেলেনি, এবং তাদের ফোনে ফোন করা হলে কেউ ফোন রিসিভ পর্যন্ত করেনি। সৌভাগ্যক্রমে এলাকাতেই একজন বিদ্যুৎ নিগমের কর্মী রয়েছে। ইনি  খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে নিজ দায়িত্ব মনে করে বিদ্যুৎ পরিবাহী মূল তার  থেকে বিদ্যুৎচ্ছিন্ন করে।
            প্রসঙ্গত বলে রাখা প্রয়োজন, যদি এই ঘটনাটি ভোরবেলা না হয় মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা চলাকালীন সময়ে সংঘটিত হতো তবে জীবনহানি ঘটার আশঙ্কা কিন্তু থেকেই যেত, এমনটাই মনে করছে এলাকাবাসীরা।পাশাপাশি বিদ্যুৎ নিগমের যোগাযোগ করার পর তাদের কাছ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি তা নিয়েও কিন্তু এলাকাবাসীদের মনে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।
তাছাড়া তেলিয়ামুড়া বিদ্যুৎ নিগমের নামে তেলিয়ামুড়া বাসীর একটা অভিযোগ দীর্ঘদিনের, যেহেতু বিদ্যুৎ বিভ্রাট যেকোনো সময় ঘটতে পারে সেহেতু মানুষ জরুরী পরিষেবা পাওয়ার জন্য যে রকম ব্যবস্থা থাকার কথা বিদ্যুৎ দপ্তরে, যদিও আছে তবে মানুষ তা কতটুকু পায় তা নিয়ে কিন্তু সংশয় রয়েই যাচ্ছে। এ রকমই এক উদাহরণ আজ উঠে এলো আমাদের ক্যামেরায়। যদিও কোনো জীবনহানির ঘটনা ঘটেনি তবে বিদ্যুৎ চালিত অনেক যন্ত্রপাতির প্রচুর পরিমাণে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো অর্থের হিসাবে জানা যায়নি। তবে এলাকাবাসীরা বলছে বিদ্যুৎ এলে আরো কত পরিবারের কত কি ক্ষতি হয়েছে তা জানা যাবে।

আরো পড়ুন