নেশার আখড়ায় পুলিশি হল্লাবোল , ব্রাউন সুগার সহ বেরিয়ে এলো অবিশ্বাস্য তথ্য ! বিস্তারিত লিংকে ..........
নেশার আখড়ায় পুলিশি হল্লাবোল , ব্রাউন সুগার সহ বেরিয়ে এলো অবিশ্বাস্য তথ্য ! বিস্তারিত লিংকে ..........

সঞ্জিত দাস , তেলিয়ামুড়া , ০৯ ফেব্রুয়ারী : গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তেলিয়ামুড়া ট্রাফিক ডিএসপি সোনাচরণ জমাতিয়ার নেতৃত্বে   মহিলা পুলিশ চাকমা ঘাট এলাকায় নেশা বিরোধী অভিযান চালিয়ে তিন প্যাকেট ব্রাউন সুগার সহ আটক করে এক যুবককে।

ঘটনা তেলিয়ামুড়া থানাধীন চাকমা ঘাট এলাকায়।  ঘটনার বিবরণে জানা যায় সোমবার রাত আনুমানিক ১১:৩০ মিনিট নাগাদ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নেশা বিরোধী অভিযান চালিয়ে তিন প্যাকেট ব্রাউন সুগার সহ এক যুবককে আটক করে। ধৃত যুবকের নাম গৌতম সরকার।  ঘটনায় জানা যায় সোমবার রাত্রিকালীন সময়ে চাকমা ঘাট এলাকার ভূট্টু সরকার নামে এক ড্রাগস ব্যবসায়ী তার স্ত্রী কে দিয়ে তিনটি সাবানের কেসে করে তিন প্যাকেট ব্রাউন সুগার স্থানীয় চাকমা ঘাট এলাকার বুদ্ধি কান্ত  সরকারের বাড়িতে দিয়ে আসে।পরে তেলিয়ামুড়া ট্রাফিক ডিএসপি এইখবর পাওয়া মাত্রই বুদ্ধি কান্ত সরকারের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ব্রাউন সুগার সহ বুদ্ধি কান্ত সরকারের ছেলে গৌতম সরকারকে আটক করে নিয়ে আসে তেলিয়ামুড়া থানায়। ধৃত যুবককে জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে আরো বেশ কিছু ড্রাগস ব্যবসায়ীদের নাম উঠে আসে।  এর মধ্যে রয়েছে চাকমা ঘাট এলাকার কুখ্যাত ড্রাগ ব্যবসায়ী ভুট্টো সরকার। পরে রাত্রিকালীন সময়েই ট্রাফিক ডিএসপি সোনা চরণ জমাতিয়ার নেতৃত্বে ট্রাফিক পুলিশরা অভিযান চালায় ভুট্টু সরকার এর বাড়িতে। কিন্তু  ভূট্টু সরকারের বাড়িতে কিছুই পায়নি বলে জানান ট্রাফিক ডিএসপি সোনা চরণ জামাতিয়া।  

অন্যদিকে তেলিয়ামুড়া থানা সূত্রে খবর কুখ্যাত ড্রাগস ব্যবসায়ী ভুট্টো সরকারকে বিগত ২  জুলাই তেলিয়ামুড়া থানার পুলিশ গ্রেফতার করে নিয়ে আসে, কিন্তু পরবর্তীতে ছেড়েও দেয় ভুট্টু সরকারকে। কিন্তু এরকম কুখ্যাত ড্রাগস ব্যবসায়ীকে কেন ছেড়ে দিলো তেলিয়ামুড়া থানার পুলিশ তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে জনমনে।

আরো পড়ুন