জাতীয় সংবাদ মাধ্যমেও সমালোচনা! বিয়েবাড়িতে সিংঘাম রূপে কি করলেন জেলাশাসক? পড়ুন বিস্তারিত......
জাতীয় সংবাদ মাধ্যমেও সমালোচনা! বিয়েবাড়িতে সিংঘাম রূপে কি করলেন জেলাশাসক?  পড়ুন বিস্তারিত......

আগরতলা , ২৭ এপ্রিল : করোনা পরিস্থিতির দিকে নজর রেখে রাজ্যে ইতিমধ্যেই শুরু করা হয়েছে নৈশকালীন কার্ফিউ। কিন্তু এনিয়ে সচেতন নয় রাজ্যের মানুষ। যার জের ধরে সোমবার গভীররাতে রাজধানীর দুটি বিয়ে বাড়িতে হানা দেন খোদ জেলাশাসক। জেলাশাসক নিজেই এই অভিযানে নামেন। সাথে ছিল বিশাল পুলিশ প্রশাসন। 
   এদিন কড়া হাতে দমন করা হয় কারফিউ ভঙ্গকারীদের। নেওয়া হয় আইনি পদক্ষেপ। রাজধানীর মানিক্য কোর্ট সহ গোলাপ বাগান বিয়ে বাড়িতে এদিন হানা দেন জেলাশাসক। মূলত রাজ্যে উত্তরোত্তর করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির কারণে প্রশাসনের এই কঠোর মনোভাব। তবে এদিন জেলাশাসকের কঠোর মনোভাবে আলোচনার পাশপাশি সমালোচনার ঢেউও কিন্তু কম উঠে নি। প্রকাশ্যে জেলাশাসক যেভাবে পুলিশকে ধমক দিয়েছেন তার জন্য যেমন প্রশংসা কুড়িয়েছেন।  ঠিক তেমনি বিয়েবাড়ির পুরোহিত থেকে শুরু করে সাধারণ মহিলা ও মানুষকে যেভাবে তিরস্কার করেছেন তাতে সমালোচনাও কম হয় নি। এদিন পশ্চিম থানার পুলিশের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ উগড়ে দেন জেলাশাসক। কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগ তুলে সাসপেনশনের তকমা লাগানোর কথাও জানান তিনি। সব মিলিয়ে কার্ফিউ কার্যকরের জন্যে এদিন প্রায় সিংঘাম এর ভূমিকায় ছিলেন জেলাশাসক। তবে এই প্রকৃতি বাস্তবে করোনা মোকাবিলায় কতটা সহায়ক হবে তাই এবার দেখার। 
   এদিকে গোটা ঘটনা নিয়ে যখন ব্যপক তোলপাড় সমগ্র রাজ্যসহ জাতীয় সংবাদ মাধ্যম। ঠিক তখনি পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা সাংসদ প্রতিমা ভৌমিক সমগ্র ঘটনার জন্য রাজ্যবাসীর কাছে ক্ষমা চান। যা বিষয়টিকে আরও মশলাযুক্ত করে দেয়। অন্যদিকে ঘটনায় প্রতিক্রিয়া চাইতে গেলে সংবাদ মাধ্যমের সামনে জেলাশাসক  সরাসরি বলেন, তিনি আইন লংঘনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছেন কোন অন্যায় করেন নি। 
   সব মিলিয়ে নাইট কারফিউতে এধরণের ঘটনা নিয়ে ফের একবার দেশজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে পার্বত্য রাজ্য ত্রিপুরা। 

আরো পড়ুন