করোনা : রাজ্যে আরও এক দফা বাড়ল কারফিউ , কোন কোন বিষয়ে ছাড় পড়ুন বিস্তারিত........
করোনা : রাজ্যে আরও এক দফা বাড়ল কারফিউ , কোন কোন বিষয়ে ছাড় পড়ুন বিস্তারিত........

আগরতলা,  ১০ জুন : ত্রিপুরায় আরও এক দফা বাড়ানো হল  করোনা কারফিউ। রাজ্যের ৬ টি জায়গায় মেয়াদ  বৃদ্ধি করা হয় কারফিউর । বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা নাগাদ মহাকরণে সাংবাদিক সম্মেলনে কারফিউর মেয়াদ বৃদ্ধির ঘোষণা দেন আইনমন্ত্রী রতন লাল নাথ।  ৫ শতাংশের অধিক সংক্রমনের জন্য আগরতলা পুরনিগম এলাকায় করোনা কারফিউর মেয়াদ চতুর্থ বারের মতো বৃদ্ধি করা হয়েছে  । আগামী ১৮ জুন পর্যন্ত কার্যকর থাকবে করোনা কারফিউ। তবে এক্ষেত্রে কার্ফিউতে ব্যাপক  ছাড় দেওয়া হয়েছে।  শুক্রবার সকাল থেকে কার্যকর হবে নয়া  নির্দেশ। সকাল ৬ টা থেকে দুপুর ২ টো পর্যন্ত  দোকানপাট খোলা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে তার জন্য একটি পৃথক নোটিফিকেশন জারি করা হবে। এছাড়া ধর্মনগর পুর পরিষদ, কুমারঘাট পুর পরিষদ, বিলোনিয়া পুর পরিষদ , সোনামুড়া নগর পঞ্চায়েত এবং রানীরবাজার নগর পঞ্চায়েত এলাকায় অনুরূপ ভাবে করোনা কারফিউ জারি থাকবে। বাকী নগর পঞ্চায়েত ও শহর এলাকাগুলি থেকে করোনা কারফিউ তুলে নেওয়া হয়েছে। আন্তরাজ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে শিথিলতা আনা হয়েছে। কেবল মাত্র রেস্ট্রিকট্রেড এলাকাগুলিতে যানবাহন চলাচলে বিধি নিষেধ আরোপ করা হয়েছে। কোন যানবাহন প্রবেশ করতে পারবে না। করোনা কারফিউ চলাকালীন সময়ে এই সমস্ত এলাকায় কোন জিম, শপিং মল, সিনেমা হল, জিমনাসিয়াম, সুইমিং পুল, বিউটি পার্লার, চুল কাটার দোকান, বিনোদন মূলক হল, পার্ক খোলা থাকবে না। এই এলাকাগুলিতে করোনা পজেটিভিটির হার ৫ শতাংশের বেশী বলে দিনে ও রাতে করোনা কারফিউ বলবৎ থাকবে। সমস্ত ধরনের জমায়েত বন্ধ থাকবে। এই এলাকা গুলিতে অফিস খোলা থাকবে। কিন্তু ৫০ শতাংশ কর্মী দিয়ে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত কাজ হবে। বাকী জায়গা গুলিতে স্বাভাবিক থাকবে অফিসের কাজকর্ম। 
এছাড়াও তিনি জানান পঞ্চম শ্রেণীতে ছাত্র ছাত্রীর সংখ্যা ৫১ হাজার ৮২৭ জন, অষ্টম শ্রেণীতে ছাত্র ছাত্রীর সংখ্যা ৫২ হাজার ৬৫৯ জন, নবম শ্রেণীতে ছাত্র ছাত্রীর সংখ্যা ৫৩ হাজার ১৭৬ জন এবং একাদশ শ্রেণীতে ছাত্র ছাত্রীর সংখ্যা ৩০ হাজার ০৮২ জন। এই ক্ষেত্রে রাজ্য শিক্ষা দপ্তর সিদ্ধান্ত নিয়েছে পঞ্চম, অষ্টম, নবম, একাদশ শ্রেণীর ছাত্র ছাত্রীদের পরবর্তী ক্লাসে উত্তীর্ণ করে দেওয়ার। স্কুল খুললে কেবল মাত্র তাদের মুল্যায়ন করা হবে। নবম ও একাদশ শ্রেণীর ক্ষেত্রে প্রি মেট্রিক স্কলারশিপের একটি বিষয় রয়েছে। তাই তাদের বার্ষিক পরীক্ষার নম্বরের ভিত্তিতে এই মার্কসিট তৈরি করা হবে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী রতন লাল নাথ। ইতিমধ্যেই প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, ষষ্ঠ এবং সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র ছাত্রীদের পরবর্তী ক্লাসে উন্নিত করার সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। শুক্রবার থেকে বিদ্যালয় খুলবে। তার জন্য পৃথক ভাবে নোটিফিকেশন জারি করবে শিক্ষা দপ্তর। করোনা গ্রাফ কমলে আগামী দিনে জে আর বিটি সহ অন্যান্য পরিক্ষাগুলি নেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে সরকার বলেও জানান তিনি।

আরো পড়ুন