শিক্ষক স্বল্পতায় লাটে পড়াশুনা , ক্ষুব্ধ অভিভাবকদের হুঁশিয়ারি শুনলে চমকে যাবেন ....... পড়ুন বিস্তারিত
শিক্ষক স্বল্পতায় লাটে পড়াশুনা , ক্ষুব্ধ অভিভাবকদের হুঁশিয়ারি শুনলে চমকে যাবেন ....... পড়ুন বিস্তারিত

আগরতলা , ০৩ ডিসেম্বর : রাজ্যে শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়নে ঢালাও হাতেই খরচ করার মানসিকতা রাখে রাজ্য সরকার। সেই  হিসাবে খরচ করাও হয় বটে। তবে আদৌ কি সেই খরচের সবটুকু সুযোগ সুবিধা পাচ্ছেন রাজ্যের ছাত্রছাত্রীরা ? এমনসব প্রশ্নই উঠে আসে কিছু ঘটনার বিষয়ে জানলে। প্রাইমারি স্কুলে ছাত্র ছাত্রীর অনুপাতে শিক্ষক থাকা বাঞ্চনীয়। কিন্তু উলটপুরাণ দেখা গেলো রাজ্যের কমলাসাগর বিধানসভা এলাকার মিয়াপাড়া হাই স্কুলের প্রাতঃ বিভাগে। এখানে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা ১১৯ জন।

আর শিক্ষক রয়েছেন মাত্র এক জন। কোনওভাবে অধ্যাবসায়ের কাজ চলছে এখানে। এখানে  প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত ক্লাস রয়েছে । ফলে বাধ্য হয়েই  তৃতীয় শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত তিনটি ক্লাস একত্রে করানো হচ্ছে। জানা যায় , গত ছয় মাস যাবত চলছে এভাবেই। অবশেষে এলাকার অভিভাবকরা ক্ষোব্ধ হয়ে শুক্রবার ঘেরাও করে স্কুল। জানা যায় , স্থানীয়রা পঞ্চায়েত থেকে শুরু করে বিশালগড় শিক্ষা অধিকর্তার নিকট পর্যন্ত গেছেন বিষয়টি দেখার জন্য। কিন্তু পরিতাপের বিষয় এতেও  কোনো কাজ হয়নি। পরবর্তী সময়ে বাধ্য হয়ে এলাকার অভিভাবক একত্রিত হয়ে মিয়াপাড়া হাই স্কুলের প্রাপ্ত বিভাগের গেটের মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে আন্দোলনে নামে।তাদের বক্তব্য অতি দ্রুত বিদ্যালয়ে শিক্ষকের ব্যবস্থা করতে হবে নতুবা আগামী দিন আগরতলা- কমলাসাগর মূল সড়ক অবরোধে বসবেন তারা। এদিকে জানা যায় মিয়াপাড়া হাই স্কুল থেকে মাত্র দেড় কিলোমিটার দূরে রয়েছে দেবীপুর দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয় সে বিদ্যালয়ে প্রায় কুড়ি জনেরও অধিক শিক্ষক-শিক্ষিকা রয়েছে। কিন্তু মিয়া পাড়া হাইস্কুলে কেন সেই অবহেলা তার জবাব দাবি করেন অভিভাবকেরা।

এদিকে বিদ্যালয়ের শিক্ষক বলেন গত কয়েক মাস যাবত তৃতীয় , চতুর্থ এবং পঞ্চম শ্রেণির  ছাত্র-ছাত্রীদের একসাথে করে পড়াশুনার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। যা কোনভাবেই স্বাভাবিক নয়। এমর্মে রাজ্যের প্রগতিশীল সরকারের কাছে এলাকাবাসীর আবেদন অতি সত্তর বিষয়টির সঠিক সুরাহা করা হোক। আর তা না হলে ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে বৃহত্তর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবেন তারা।   

আরো পড়ুন